সংঘের প্রধান সম্পাদক স্বামী বিশ্বাত্মানন্দ মহারাজ বুধবার কলকাতার বালিগঞ্জে সঙ্ঘের প্রধান কার্যালয়ে এক সাংবাদিক সম্মেলনে জানিয়েছেন, এবছর ১৫০০-রও বেশি প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত স্বেচ্ছাসেবক থাকছে। ইতিমধ্যেই এই স্বেচ্ছাসেবকেরা সাগর সৈকতে কাজ শুরু করেছেন। তীর্থযাত্রীদের সঠিক পথে গাইড করা, পাশাপাশি ভিড়ের চাপে কেউ বিপদে পড়লে দ্রুত সাহায্য পৌঁছে দেওয়াই তাঁদের মূল দায়িত্ব।
তিনি আরও জানান, সাগরে নামার সময় লাইফ জ্যাকেট ব্যবহারে মানুষকে উৎসাহিত করা হবে। কেউ যদি ভুলবশত স্রোতে ভেসে যান, তাঁদের উদ্ধার করে নিরাপদে ফেরাতে বিশেষ টিম প্রস্তুত থাকবে। এ ছাড়াও এবছর তীর্থযাত্রীদের জন্য ৫০০০-এরও বেশি রাত্রিবাসের ছাউনি এবং ২০০টিরও বেশি সুলভ প্রাথমিক চিকিৎসা কেন্দ্র খোলা হচ্ছে।
অসুস্থ তীর্থযাত্রীদের দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করানোর ব্যবস্থাও করা হচ্ছে। একাধিক অ্যাম্বুল্যান্স সার্ভিস সারাক্ষণ প্রস্তুত থাকবে বলে জানিয়েছেন স্বামী বিশ্বাত্মানন্দ মহারাজ। প্রতিদিন লক্ষাধিক মানুষের জন্য বিনামূল্যে ভোগ প্রসাদ বিতরণের পরিকল্পনাও রয়েছে সংঘের।
ভারত সেবাশ্রম সংঘের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যথাযথ শৃঙ্খলা ও সহযোগিতার মাধ্যমে ভক্তদের গঙ্গাসাগর তীর্থযাত্রা আরও নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন করাই তাদের লক্ষ্য।
