সঞ্চিতা চ্যাটার্জী, বিএস নিউজ এজেন্সি: হয়তো নিরপেক্ষ দলগুলো যেরকম রোমাঞ্চকর খেলা চায়, তা হয়তো হয়নি, কিন্তু ভারত যা চায়, তা-ই ছিল। আহমেদাবাদে ১০০,০০০ উচ্ছ্বসিত এবং প্রায় সর্বজনীন নীল পোশাক পরা সমর্থকের সামনে নিউজিল্যান্ডকে রানের বন্যায় ডুবিয়ে ফেলার পর, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ রক্ষাকারী প্রথম পুরুষ দল এবং ঘরের মাঠে জয়লাভকারী প্রথম দল হয়ে ওঠে।
২৫৫ রান দেওয়ার সময় নিউজিল্যান্ড হতাশ দেখাচ্ছিল এবং তা তাড়া করার সময় হতাশ দেখাচ্ছিল, এবং তাদের ইনিংসের বেশিরভাগ সময় এলোমেলোভাবে হেরে যাওয়ার পরও তারা ৯৬ রানে পিছিয়ে ছিল। ২০১৫ সাল থেকে তারা বিভিন্ন রঙের চারটি বিশ্বকাপ ফাইনালে পৌঁছেছে এবং সবগুলোই হেরেছে, গত বছর চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির সাথে। না, এবারও বিশ্বকাপ জেতা হল না নিউজিল্যান্ডের। সঙ্গে আহমেদাবাদের এক লাখ ৩২ হাজারের গ্যালারিকেও চুপ করিয়ে দিতে পারলেন না কিউই অধিনায়ক মিচেল স্যান্টনার।
ব্যাটে, বলে, ফিল্ডিংয়ে বাজিমাত করল ভারত এবং সহজেই রোহিত, বিরাটদের হতাশার নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামকে সাফল্যের চূড়ায় পৌঁছে দিলেন সূর্যকুমার, বুমরাহ, সঞ্জুরা। এই পুরো বিশ্বকাপে সব থেকে বেশি ক্যাচ ফেলেছে ভারত। এদিনও সহজ ক্যাচ, কঠিন ক্যাচ পড়ল কিন্তু মুষ্টিবদ্ধও হল একাধিক। শুরু হয়েছিল টসে হার দিয়ে। তবে ওখানেই শুরু, ওখানেই শেষ। প্রথমে ব্যাটিং থেকে প্রতিপক্ষকে লক্ষ্যের অনেকটা আগেই আটকে দেওয়া প্রমাণ করল এই টি২০ দলের অদম্য খিদে আর লড়াই কতটা। ৫ উইকেটের বিনিময়ে প্রতিপক্ষ নিউজিল্যান্ডের সামনে ২৫৬ রানের লক্ষ্যমাত্রা রেখেছিল ভারত।
বর্তমান টি২০ ক্রিকেটে কোনও রানই যে যথেষ্ট নয় তা সেমিফাইনালেই প্রমাণ করে দিয়েছিল ইংল্যান্ড কিন্তু এদিন ফাইনালের প্রতিপক্ষকে সেই সুযোগ দিল না ভারতের বোলাররা। ভারতের ২৫৫ রানের জবাবে এক ওভার বাকি থাকতেই ১৫৯-এ থামল নিউজিল্যান্ড।
টস হেরে সূর্যকুমার যাদব একমুখ হাসি নিয়ে বলে দিয়েছিলেন, তাঁদের প্রথমে ব্যাট করতে কোনও সমস্যা নেই, তাঁরা সব পরিস্থিতির জন্যই প্রস্তুত। আর সেটাই দেখা গেল ম্যাচের প্রথম বল থেকে। যখন সঞ্জু স্যামসনের সঙ্গে ওপেন করতে নামলেন সেই অভিষেক শর্মা।
ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্টের এতটাই আত্মবিশ্বাস ছিল যে দলে কোনও পরিবর্তন আনার কথা ভাবেইনি। যে অভিষেক আর বরুণ চক্রবর্থীকে নিয়ে প্রভূত আলোচনা হচ্ছিল তাঁদের দলে রেখেই টি২০ বিশ্বকাপ ফাইনাল খেলতে নামল ভারত, আর দলের বিশ্বাসের মান রাখলেন তাঁরাও।
ছবি সঞ্চিতা চ্যাটার্জী/বিএস নিউজ এজেন্সি।
অভিষেকের ১৮ বলে সেঞ্চুরি-সহ ৫২ রান, সঞ্জু স্যামসনের আবার সেঞ্চুরির কাছ থেকে ফেরা ৮৯ রান করে আর ঈশান কিষাণের ৫৪ ভারতের জন্য জয়ের রাস্তা তৈরি করে দিয়েছিল। বাকি কাজ করে দিলেন টেইল এন্ডার শিভম দুবে তাঁর চেনা ছন্দেই ৮ বলে ২৬ রান করে। মাঝে শুধু সূর্যকুমারের ০ আর হার্দিকের ১৮ রানে ফেরাটা দলের উপর প্রভাব ফেলতে পারেনি। ২৫৫-৫-এ থামে ভারত।
অভিষেকের ১৮ বলে সেঞ্চুরি-সহ ৫২ রান, সঞ্জু স্যামসনের আবার সেঞ্চুরির কাছ থেকে ফেরা ৮৯ রান করে আর ঈশান কিষাণের ৫৪ ভারতের জন্য জয়ের রাস্তা তৈরি করে দিয়েছিল। বাকি কাজ করে দিলেন টেইল এন্ডার শিভম দুবে তাঁর চেনা ছন্দেই ৮ বলে ২৬ রান করে। মাঝে শুধু সূর্যকুমারের ০ আর হার্দিকের ১৮ রানে ফেরাটা দলের উপর প্রভাব ফেলতে পারেনি। ২৫৫-৫-এ থামে ভারত।