অলোক মুখার্জির আত্মজীবনী ‘বিয়ন্ড দ্য রেড কার্ড’-এর প্রকাশনা অনুষ্ঠানে তারার মেলা।

বাইচুং ভুটিয়া বলেন, "অলোক-দার কোচিংয়েই আমি দেশের হয়ে আমার ক্যারিয়ারের সেরা পাঁচ বছর খেলেছি।" ছবি সঞ্চিতা চট্টোপাধ্যায়/বিএস নিউজ এজেন্সি।

সঞ্চিতা চট্টোপাধ্যায়, বিএস নিউজ এজেন্সি: দীর্ঘ ফুটবল জীবনে তিনি কখনও লাল কার্ড দেখেননি, এমনকি সাইড-ব্যাক-এর মতো গুরুত্বপূর্ণ পজিশনে খেলেও। দেশের হয়ে এবং তিনটি প্রধান ক্লাবের হয়ে কৃতিত্বের সঙ্গে খেলা অলোক মুখার্জি রবিবার কলকাতা স্পোর্টস জার্নালিস্টস ক্লাবে তাঁর আত্মজীবনী ‘বিয়ন্ড দ্য রেড কার্ড’ প্রকাশ করলেন। নিজের জীবনী প্রকাশের অনুষ্ঠানে এত মানুষের ভিড় দেখে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন অলোক, চোখের জল ধরে রাখতে পারেননি। তিনি বলেন, "এত মানুষের এত ভালোবাসা আজ দুটি মলাটের মধ্যে বন্দি। আজ আমার মনে হচ্ছে, হয়তো একজন ফুটবলার হিসেবে আমি সত্যিই কিছু অর্জন করতে পেরেছি।" দীপ প্রকাশন থেকে প্রকাশিত বইটি লিখেছেন ক্রীড়া সাংবাদিক অর্ঘ্য বন্দ্যোপাধ্যায়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রাক্তন কিংবদন্তি ফুটবলার ভাস্কর গাঙ্গুলী, মনোরঞ্জন ভট্টাচার্য, প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়, বিকাশ পাঞ্জি, দীপেন্দু বিশ্বাস এবং বাইচুং ভুটিয়া। মোহনবাগানের সভাপতি দেবাশিস দত্ত এবং ইস্টবেঙ্গলের শীর্ষ কর্মকর্তা দেবব্রত সরকারও উপস্থিত ছিলেন।
প্রায় সবাই একই সুরে কথা বলেছেন। তাঁরা বলেন, "পিকে ব্যানার্জির মতো কিংবদন্তি কোচ যাকে তাঁর শতাব্দীর সেরা দলে অন্তর্ভুক্ত করেছিলেন, তাঁর আত্মজীবনী সবার জন্য আদর্শ হওয়া উচিত।"
ইস্টবেঙ্গল ক্লাব অলোককে তাদের লাল-হলুদ জার্সি উপহার দেয়। মোহনবাগান তাঁকে সবুজ-মেরুন স্কার্ফ দিয়ে সম্মানিত করে।
বাইচুং বলেন, "অলোক-দার কোচিংয়েই আমি দেশের হয়ে আমার ফুটবল ক্যারিয়ারের সেরা পাঁচ বছর কাটিয়েছি। অলোক-দা শুধু একজন মহান ফুটবলারই নন, একজন ভদ্র মানুষও। তাঁর আত্মজীবনী ভবিষ্যৎ ফুটবলারদের জন্য আদর্শ হয়ে উঠুক।"
Tags