বৈশাখীর অভিযোগ অনুযায়ী, সঞ্জু শর্মা কেবল মারধরই করেননি, বরং তাঁকে টেনে হিঁচড়ে বেডরুমে নিয়ে গিয়ে দরজা বন্ধ করে দেন। মেয়ের সামনেই তাঁকে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ। পরবর্তীকালে অন্য নিরাপত্তারক্ষীরা ঘরে ঢুকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। ঘটনার ভয়াবহতা বুঝতে পেরে বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায় দ্রুত রবীন্দ্র সরোবর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ পাওয়ার পরই রবীন্দ্র সরোবর থানার পুলিশ তৎপর হয়ে অভিযুক্ত সঞ্জু শর্মাকে গ্রেফতার করে। বর্তমানে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। প্রাথমিক তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার সত্যতা যাচাইয়ের কাজ চালাচ্ছে পুলিশ।
এই ঘটনা নিয়ে শোভন চট্টোপাধ্যায় বা বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়ের তরফে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি পাওয়া যায়নি। তবে প্রাক্তন মেয়রের আবাসনে নিরাপত্তারক্ষীর এমন আচরণে রীতিমতো বিস্মিত স্থানীয় বাসিন্দা ও রাজনৈতিক মহল। পুলিশি তদন্তের পরেই প্রকৃত সত্য ও ঘটনার নেপথ্যের কারণ পরিষ্কার হবে বলে মনে করা হচ্ছে।