সঞ্চিতা চ্যাটার্জি, বিএস নিউজ এজেন্সি: ২০২৬ সালের রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর রাজ্যে এক নজিরবিহীন সাংবিধানিক সংকট তৈরি হওয়ায় এই পরিস্থিতি উদ্ভূত হয়েছে।
মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ করতে অস্বীকৃত বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি ২০৭টি আসন পেয়ে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করেছে এবং তৃণমূল কংগ্রেস ৮০টি আসনে নেমে এসেছে। তবে ভোট চুরির অভিযোগ তুলে বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পদত্যাগ করতে অস্বীকার করেছেন।
বিধানসভা ভেঙে দেওয়া রাজ্যের রাজ্যপাল আর. এন. রবি ৭ মে ২০২৬ তারিখ থেকে কার্যকর হওয়া নির্দেশিকায় বর্তমান পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা ভেঙে দিয়েছেন।
কেয়ারটেকার সরকারের অভাব সাধারণত নতুন সরকার গঠনের আগে বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী 'কেয়ারটেকার' বা তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে দায়িত্ব সামলান। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী পদত্যাগ না করায় এবং রাজ্যপাল তাঁকে কেয়ারটেকার হিসেবে আনুষ্ঠানিক অনুমোদন না দেওয়ায় রাজ্যে কোনো সক্রিয় মন্ত্রিসভা নেই।
সংবিধান বিশেষজ্ঞদের মতে, ৯ মে ২০২৬ তারিখে নতুন বিজেপির সরকার শপথ নেওয়ার কথা রয়েছে। এই মধ্যবর্তী সময়ে রাজ্যে যাতে কোনো প্রশাসনিক বা সাংবিধানিক শূন্যতা তৈরি না হয়, সেজন্য রাজ্যপাল ৩৫৬ নম্বর অনুচ্ছেদ প্রয়োগ করে মাত্র ১ বা ২ দিনের জন্য সাময়িকভাবে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করতে পারেন। মুখ্যমন্ত্রী নিজে সরাসরি কেন্দ্রকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে বলেছেন, প্রয়োজনে কেন্দ্র যেন রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করে।