DA কমিটির রিপোর্ট আটকাতে নতুন চাল রাজ্যের! এবার কী হবে রাজ্য সরকারি কর্মীদের।

সঞ্চিতা চ্যাটার্জি, বিএস নিউজ এজেন্সি:  সুপ্রিম কোর্টের DA কমিটির রিপোর্ট কবে পেশ করা হবে তা পুরোপুরি অনিশ্চিত। কারণ সূত্র মারফত জানা গিয়েছে রাজ্য সরকার ডিএ কমিটিকে তেমনভাবে সাহায্য করছে না। যার কারণে কাজে সমস্যা তৈরি হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য সরকারি কর্মীদের বকেয়া মহার্ঘ ভাতা বা DA নিয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও কথা ঘোষণা করেনি রাজ্য সরকার। যদিও সরকারি কর্মীরা ডিএ নিয়ে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন। এই পরিস্থিতিতে সুপ্রিম কোর্টের তৈরি করে দেওয়া ডিএ কমিটির রিপোর্ট আজ জমা হওয়ার কথা। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে গঠিত ইন্দু মালহোত্রা কমিটির রিপোর্ট ও রাজ্য সরকারের ভূমিকা নিয়ে বর্তমানে জোর চর্চা রাজ্যের প্রশাসনিক মহিলা। কবে পেশ করা হবে এই কমিটির রিপোর্ট। তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। রাজ্য সরকারি কর্মীদের ডিএ মামলার রায় ঘোষণার সময় সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছিল দ্রুত বকেয়া ২৫% ডিএ মিটিয়ে দিতে হবে। পরবর্তীতে ডিএ কমিটির রিপোর্ট দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। রাজ্য সরকারি কর্মীদের অভিযোগ ডিএ নিয়ে বর্তমানে রাজ্য সরকার আরও সময় চাইছে। বিধানসভা নির্বাচন আসন্ন। বিধানসভা নির্বাচন পর্যন্ত সময় চাইতে পারে রাজ্য। আর সেই কারণে রাজ্য সরকার আবারও সুপ্রিম কোর্টে যেতে পারে। রাজ্য সরকার সুপ্রিম কোর্টে রিভিউ পিটিশন দায়ের করতে পারে বলে শোনা যাচ্ছে। যদিও পিটিশন খারিজ হওয়ার সম্ভাবনাই প্রবল। আর সেক্ষেত্রে রাজ্য মডিফিকেশন অ্যাপলিকেশন জমা দিয়ে আসন্ন নির্বাচন পর্যন্ত বিষয়টি ঝুলিয়ে রাখার কৌশল নিতে পারে। রাজ্য সরকার সুপ্রিম কোর্টে রিভিউ পিটিশন দায়ের করতে পারে বলে শোনা যাচ্ছে। যদিও পিটিশন খারিজ হওয়ার সম্ভাবনাই প্রবল। আর সেক্ষেত্রে রাজ্য মডিফিকেশন অ্যাপলিকেশন জমা দিয়ে আসন্ন নির্বাচন পর্যন্ত বিষয়টি ঝুলিয়ে রাখার কৌশল নিতে পারে। অন্যদিকে সুপ্রিম কোর্টের তৈরি করে দেওয়া ডিএ কমিটি ইতিমধ্যেই রাজ্যের মুখ্যসচিবের কাছে বেশ কিছু বিষয়ে স্পষ্টীকরণ চেয়েছে। কিন্তু সরকার বিষয়টি নিয়ে তেমন গুরুত্বদেয়নি। সূত্রের খবর দায়সারা উত্তর দেওয়া হয়েছে। যার কারণে কমিটির কাজও বাধা পাচ্ছে। যেহেতু রাজ্য সরকার ডিএ কমিটিকে প্রয়োজনীয় সাহায্য করছে না সেক্ষেত্রে কম্পট্রোলার অ্য়ান্ড অডিটর জেনারেল বা CAG-র রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করেই কমিটি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে রিপোর্ট তৈরি করতে পারে। না হলে আরও একবার রাজ্যের দ্বারস্থ হতে পারে। তবে এতে সময় খরচ হবেই বেশি। ৩১ মার্চের মধ্যে বকেয়া ডিএ-এর 25% অর্থাৎ প্রথম কিস্তি প্রদানের বিষয়টি নিশ্চিত করতেই এই রিপোর্টটি অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। তাই এই জট খোলার অপেক্ষায় রয়েছেন সরকারি কর্মীরা। 
Tags