সঞ্চিতা চ্যাটার্জী, বিএস নিউজ এজেন্সি: ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা তা অনেক আগেই আন্দাজ করতে পেরেছিল। ইরান ও ইজরায়েলের এই তীব্র সংঘাত শুরু হওয়ার ঠিক আগের দিনই আমদের প্রধানমন্ত্রী স্বয়ং নিজে তার বিদেশ সফরে উপস্থিত ছিলেন ইজরায়েলে। হরমুজ প্রণালী (Strait of Hormuz) বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এবং কৌশলগতভাবে সংবেদনশীল একটি সামুদ্রিক জলপথ।এটিকে বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তেল চোকপয়েন্ট হিসেবে বিবেচনা করা হয়। বিশ্বের প্রতিদিনের মোট তেল ব্যবহারের প্রায় ২০ শতাংশ এই সরু পথ দিয়েই পরিবাহিত হয়।সাম্প্রতিক যুদ্ধের কারণে ইরান এই প্রণালীটি কার্যত বন্ধ করে রেখেছে এবং এই পথে চলাচলকারী জাহাজগুলিতে আক্রমণের হুঁশিয়ারি দিয়েছে। ভারতে এলপিজি আমদানির প্রায় ৮৫ থেকে ৯০ শতাংশই আসে এই হরমুজ প্রণালী দিয়ে। এই সংকটের মুখে সরবরাহ পুরোপুরি ব্যাহত হওয়ার কয়েকদিন পর কেন্দ্রীয় সরকার সবাইকে আশ্বস্ত করেছিলেন যে এলপিজি পর্যাপ্ত পরিমাণে রয়েছে এবং সরবরাহ স্বাভাবিক আছে। সেই আশ্বাস সম্পূর্ণ মিথ্যে প্রমাণ করে দিল ব্যাঙ্গালোরে রেস্টুরেন্ট গুলি বন্ধ হয়ে গিয়ে। এই আঁচ বাংলাতেও পড়ছে, কেন্দ্রীয় সরকার পশ্চিমবঙ্গে গ্যাসের দাম এক ধাক্কায় ৬০ টাকা বাড়িয়ে দিয়েছে।কেন্দ্রীয় সরকারের মন্ত্রীরা বলছেন যে বিকল্প হিসাবে ইন্ডাকশন ওভেনে রান্না করতে কিন্তু প্রত্যন্ত গ্রামে এর ব্যবস্থা কোথায় ? মিড ডে মিল , রেস্টুরেন্ট থেকে হাসপাতাল সবই প্রায় অকেজ হওয়ার পথে। বেড়েছে অটোর ভারাও এমনকি অনেক রুটে অটো চলাও সম্পূর্ণ রূপে বন্ধ হওয়ার পথে, অস্বাভাবিক লাইন বেড়েছে গ্যাসের এজেন্সি গুলির কাছে তবে কেন্দ্রীয় সরকারের এহেন বৃশৃঙ্খলা মূলক কার্যকলাপ এর উদারহন প্রথমবার নয় এর আগেও ২০১৬ সালে নোট বন্দি থেকে তথা 2025 থেকে 2016 সালের কিছু সময় পর্যন্ত। Sii এর লাইন মনে করিয়ে দিচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকারের বিশৃঙ্খলা মূলক কার্যকলাপ যা সাধারণ মানুষের জীবনকে একেবারেই বৃতিবিস্তৃত করে ফেলেছে বিভিন্ন দিক থেকে।