‘যদি দণ্ড সহিতে হয় তবু মিথ্যাবাক্য নয়। জয় জয় সত্যের জয়।’’

ছবি সঞ্চিতা চ্যাটার্জী, বিএস নিউজ এজেন্সি।

সঞ্চিতা চ্যাটার্জী, বিএস নিউজ এজেন্সি: বিজেপি-অধীনস্থ কেন্দ্রীয় সরকারের অপরিকল্পিত ‘SIR’-এর মাধ্যমে বৈধ ভোটারদের নাম বাদ দেওয়ার চক্রান্তের বিরুদ্ধে এবং গণতন্ত্র হত্যার প্রতিবাদে আমরা শান্তিপূর্ণ ধরনা শুরু করেছিলাম। আজ ধরনার পঞ্চম দিনের সন্ধ্যায় রাজপথের ধরনা প্রত্যাহার করলাম।
ছবি সঞ্চিতা চ্যাটার্জী, বিএস নিউজ এজেন্সি।
প্রকৃত ভোটারদের নাম অবৈধভাবে কেটে দেওয়া হচ্ছে, এবং তাঁদের আবেদন করার সুযোগ থাকছে না। বিচার ব্যবস্থার প্রতি আস্থা রেখে আমরা এই বিষয়টি সর্বোচ্চ আদালতে তুলে ধরেছিলাম। ভোটার তালিকায় যাঁদের নাম বাদ যাচ্ছে, তাঁরা যাতে আবার আবেদন করার সুযোগ পায়; তার জন্য মহামান্য সুপ্রিম কোর্ট কলকাতা হাইকোর্টের প্রাক্তন বিচারপতিদের নিয়ে অ্যাপিলেট ট্রাইব্যুনাল বেঞ্চ গঠনের নির্দেশ দিয়েছে। মহামান্য সুপ্রিম কোর্টের এই সিদ্ধান্ত; গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষার পথকে আরও প্রশস্ত করবে। বাংলায় একজন বৈধ ভোটারেরও নাম যাতে বাদ না পড়ে, তার জন্য ইলেকশনের একদিন আগে পর্যন্ত দরকার হলে ভোটার তালিকায় ভোটারদের নাম তোলা হবে এবং মহামান্য সুপ্রিম কোর্ট ‘এসআইআর’-এই কেসকে স্পেশাল কেস হিসাবে পর্যবেক্ষণ করা হবে বলে জানিয়েছে। আজ সর্বোচ্চ আদালতের রায়ে আমরা নিশ্চিন্ত হলাম। বাংলা-বিরোধী বিজেপি এবং তাদের অঙ্গুলিহেলনে ভ্যানিশ কুমার জোরপূর্বক ভোটাধিকার হরণের যে চক্রান্ত করছিল, তা রুখে দিয়েছে বাংলার জনগণ। নির্বাচনের দিন ঘোষণা হলে ভোটের কাজও যেমন চলবে, একইসঙ্গে ভোটার তালিকায় নাম তোলার কাজেও জাতি-ধর্ম-বর্ণ-দলমত নির্বিশেষে মানুষকে সাহায্য করতে হবে। মানুষের পাশে থাকতে হবে আমাদের। বাংলা লড়াই করতে জানে। আর ভোটাধিকার রক্ষার এই লড়াইয়ে আমরা বাংলার প্রত্যেক মানুষের পাশে আছি। ভোটাধিকার রক্ষার্থে আমাদের আন্দোলনের এই জয় কেবল তৃণমূল কংগ্রেসের জয় নয়, এই জয় বঙ্গবাসীর জয়। এই জয় সাংবিধানিক অধিকারের জয়, গণতন্ত্রের জয়। 

Tags