ছবি বিএস নিউজ এজেন্সি।
সঞ্চিতা চ্যাটার্জি, বিএস নিউজ এজেন্সি: জ্ঞানেশ কুমারের চুরির প্লান ভেস্তে দিল মহামান্য সুপ্রিম কোর্ট।
সংবাদ সোচ্চার :চুরি জোচ্চুরি করে বাংলাকে ছিনিয়ে নেবার চেষ্টায় আপাতত দেশের সুপ্রিম কোর্ট জল ঢেলে দিল। আজকে দিল্লিতে মহামান্য সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতিগন পরিস্কার করে দিলেন যে নির্বাচন কমিশন যে জালিয়াতী করে জেনুইন বাঙালী ভোটারদের ভোটার লিষ্ট থেকে নাম বাদ দিতে চাইছে সেটা হবে না। যেখানে এই ঐতিহাসিক রায়ে প্রধান বিচারপতিরা তাদের নির্দেশে বলেছেন এই রাজ্যে যে ৮০ লক্ষ মানুষকে ডিস্ক্রিপেন্সীর গেঁড়োয় ফেলে নাম বাদ দেওয়ার চক্রান্ত চলছে তাকে ভেরিফাই করবেন একমাত্র রাজ্যের জুডিশিয়াল অফিসাররা। যার নেতৃত্ব দেবেন কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি। এদিন এই বিষয়ে সুপ্রিম কোর্ট সুয়োমটো শুনানিতে বলেন, যেহেতু কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি মাননীয় সুজয় পাল জানিয়েছেন যে নির্ধারিত ৮০ লাখ মানুষের ল'জিক্যাল ডিস্ক্রিপেন্সী ভেরিফাই করেতে ২৫০ জন জুডিশিয়াল অফিসারের নূন্যতম ৮০ দিন লেগে যাবে তাই মহামান্য সুপ্রিম কোর্ট যেন বিকল্প উপায় কি হবে সেটা বলে দেন। সেই মোতাবেক সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি এদিন বলেন, এই কাজে সিভিল জার্জদেরও নেওয়া যেতে পারে শুধু তাই নয় মাননীয় হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি চাইলে পড়শী রাজ্য উড়িষ্যা ও ঝাড়খন্ড থেকে জার্জদের নিতে পারেন। এই বিষয়ে সেই রাজ্যেগুলির হাইকোর্টের প্রধান বিচারতিরা যাতে সহযোগিতা করেন তারও নির্দেশ দেন। এছাড়াও মহামান্য সর্বোচ্চ আদালত আরও ঘোষনা করেন যে ২৮ ফেব্রুয়ারী চুরান্ত ভোটার তালিকা বার হলেও এই সময়ের পরেও অতিরিক্ত ভোটারের নামের লিষ্ট সংযুক্ত করা যাবে। এবিষয়ে নির্বাচন কমিশন কোন নোটিফিকেশন করতে পারবে না। যেখানে একটা বিষয় পরিষ্কার বলে দেওয়া যায় যে এই রাজ্যে ভোটার তালিকায় রোহিঙ্গা, অনুপ্রবেশকারী অজুহাতে বৈধ ভোটারদের নাম বাদ দেবার যে চক্রান্ত বিজেপির দালাল জাতীয় নির্বাচন কমিশন করেছিল তা এখন বিশবাঁও। যাকে বলে জ্ঞানেশ কুমারের গালে কষিয়ে থাপ্পড় মারল মহামান্য সুপ্রিম কোর্ট।